ঈদের আগে বাংলাদেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম; বৃহস্পতিবার স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের ফাম ৭৬৪০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা নির্ধারণ করেছে।
সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে যা তৎক্ষনাৎ কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৩১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সবশেষ ১৪ মার্চ সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
দেশের বাজারে সবশেষ ১০ দফা দাম সমন্বয়ে ৬ বারই কমেছে স্বর্ণের দাম। এরমধ্যে সবশেষ টানা ৪ দফায় কমানো হয়েছে মোট ১৫ হাজার ৮০৫ টাকা।
২০২৬ সালে দেশের বাজারে ৪৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম, যেখানে দাম ২৬ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১৮ দফা।
স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে এবার কমানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬ সালে দেশের বাজারে ২৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম, যেখানে দাম ১৬ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ১২ দফা।
পূর্বের পোস্ট :