একদিনে দুই দফায় বাংলাদেশের বাজারে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম ১৫৩৩৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শুরুতে সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৬৪০ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয়। ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে আরেক ঘোষণায় বাজুস স্বর্ণের দাম ৭৬৯৮ টাকা কমায়। এতে করে একদিনে স্বর্ণের দাম কমেছে ১৫৩৩৮ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিউর গোল্ড) দাম কমায় নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যা তৎক্ষনাৎ কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৬ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১৯ দফা।
স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে কমানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬ দেশের বাজারে ২৯ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১৬ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ১৩ দফা।
হঠাৎ করে বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে স্বর্ণের দাম। গোল্ড কাউন্সিলের হিসাব অনুযায়ী, স্পট মার্কেটে বৃহস্পতিবার একদিনে স্বর্ণের দাম কমেছে প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারেও।
পূর্বের পোস্ট :