বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং শিগগিরই সংকট সৃষ্টি হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই বলে শনিবার নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
“মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে এখনই জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে— এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। জ্বালানি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো এখনো কিছু ঘটেনি। বাংলাদেশে যথেষ্ট জ্বালানি তেল মজুত আছে,” প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন জ্বালানি মন্ত্রী।
টুকু জানান, ৯ মার্চ জ্বালানি নিয়ে আরও দুটি ভেসেল চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে। এতে করে সংকটের যে শঙ্কা করা হচ্ছে সেটি ঘটবে না।
প্যানিক বাইং বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “সারা রাত পেট্রোল পাম্পে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থেকে জ্বালানি তেল কেনার কোনো যুক্তি নেই। রোববার থেকে পেট্রোলপাম্পগুলো জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করছে কিনা তা মনিটরিং এ মাঠে থাকবে মোবাইল কোর্ট।”
রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রির কারণ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “কতদিন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলবে তা এখনো নিশ্চিত হয়ে বলা যাচ্ছে না। তাই আগাম সতর্কতার জন্য সাশ্রয়ী হতে রোববার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বেচাকেনা হবে।”
মন্ত্রী সবাইকে অতিরিক্ত তেল না কিনে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু জ্বালানি তেল কেনার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্যনুযায়ী, ইতোমধ্যে ২ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানি চূড়ান্ত হয়েছে, যার বড় অংশ আসবে মার্চ মাসেই। এতে করে দেশে আপাতত জ্বালানি সংকটের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
পূর্বের পোস্ট :