সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার সূচকের উত্থান দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও দিন শেষে পতনের মুখে পড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই); দুই বাজারেই কমেছে সামগ্রিক লেনদেন।
সারাদিনের লেনদেনে ডিএসই'র প্রধান সূচক ডিএসইএএক্স কমেছে ২ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএসে কোনো পরিবর্তন না আসলেও ব্লুচিপ সূচক ডিএস৩০ কমেছে ৪ পয়েন্ট।
সূচক কমলেও দাম বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির; ২২৭ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১১২ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫৪ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসইতে সারাদিনে ৫৮০ কোটি টাকার ওপরে শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৮৮৫ কোটি টাকা।
ব্লক মার্কেটে ৩৬ কোম্পানির ২৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে; ওরিয়ন ইনফিউশন সর্বোচ্চ প্রায় ১৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
প্রায় ৭ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড এবং প্রায় ১০ শতাংশ দাম হারিয়ে তলানিতে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসি।
সূচকের পতন হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই); সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৬৮ পয়েন্ট।
দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির; ৯৬ কোম্পানির দরপতনের বিপরীতে দর বেড়েছে ৫৮ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
লেনদেন কমেছে প্রায় তিনগুণ; সারাদিনে ৮ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে যা গতদিন ছিল ২৩ কোটি টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং প্রায় ১০ শতাংশ দাম কমে তলানিতে হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস পিএলসি।
পূর্বের পোস্ট :