২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)— সোমবার ভরিতে ৫২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি— যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে সবশেষ ২৫ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি— যা ছিল দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
এ নিয়ে ২০২৬ সালে দেশের বাজারে ১৪ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩ দফা।
স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও—ভরিতে ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৭৫৭ টাকা—যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৭ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৭৮২ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৩ দফা।
পূর্বের পোস্ট :