চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে একটিতে জামায়াতে ইসলামীর জয়ের ইতিহাস রয়েছে। ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালের সেই জয় ফিরিয়ে আনতে পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় দিন-রাত এক করে মাঠে কাজ করছেন দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরেই এই জেলায় বিএনপির অবস্থান সুসংহত। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে কোনো ঝুঁকি নিতে চান না দলটির নেতাকর্মীরা। ভোটের মাঠে দলীয় ‘বিদ্রোহী’ বা প্রকাশ্য বিভক্তি না থাকলেও আওয়ামী লীগহীন নির্বাচনে জামায়াতকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছে বিএনপি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী না থাকায় দলটির ভোটব্যাংকই তিনটি আসনে জয়-পরাজয়ের নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। সেই ভোট নিজেদের পক্ষে টানতে দুই দলেরই প্রচেষ্টা তুঙ্গে।চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: ‘নির্বাচন পানসে’শিবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহজাহান মিঞার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর মো. কেরামত আলীর মূল লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, ইসলামী ফ্রন্ট, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন।ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছয়জন প্রার্থী থাকলেও বাস্তবে প্রচার কেন্দ্রীভূত বিএনপি ও জামায়াতের ...