আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর মেয়ে জাইমা রহমানের নাম দেশের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার সন্ধ্যায় ইসি’র সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ ইউএনবিকে জানান, “তারেক রহমান ও জাইমা রহমান—দু’জনের নামই ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচন ও গণভোটে ব্যবহৃত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।” তিনি বলেন, রোববার কমিশনের বৈঠকে তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর আগে শনিবার তারেক রহমান ও জাইমা রহমান জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন এবং ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এদিন তারেক রহমান রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগে গিয়ে এনআইডি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন। সেখানে তাঁর ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
ইসি সূত্র জানায়, তারেক রহমান ও জাইমা রহমানকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করা হয়েছে। তাঁদের ভোটার ঠিকানা হিসেবে গুলশান-২ এলাকার বাড়ি নম্বর ১৯৬ ব্যবহৃত হয়েছে।
শনিবার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে ইসি’র সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, তাঁদের নাম রোববার কমিশনের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। “কমিশন অনুমোদন দিলে তাঁদের নাম ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যবহৃত ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে,”—বলেছিলেন তিনি। নির্বাচন কমিশন জানায়, নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তাঁদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৫ ডিসেম্বর প্রায় ১৭ বছর পর তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমান বাংলাদেশে ফেরেন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পর এটিই ছিল জাইমা রহমানের প্রথম বাংলাদেশ সফর। এর আগে চলতি বছর জুবাইদা রহমান দু’দফা বাংলাদেশে এসে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন সম্পন্ন করেন।
তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
পূর্বের পোস্ট :