সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার শুরু থেকেই সূচকের পতন দিয়ে লেনদেন চললেও শেষ মুহূর্তে সামান্য উত্থান দিয়ে পতন কাঁটিয়ে উঠেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই); তবে পতন সামলে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।
সারাদিনের লেনদেনে সকাল থেকে পতনের মুখে থাকলেও দিনশেষে ডিএসই'র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচকের মধ্যে শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএসে কোনো পরিবর্তন না আসলেও ব্লুচিপ সূচক ডিএস৩০ বেড়েছে ৬ পয়েন্ট।
দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির; ১৯৪ কোম্পানির দাম কমার বিপরীতে দাম বেড়েছে ১২৩ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭১ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে ডিএসইতে ৫৬৮ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৫৫৯ কোটি টাকা।
ব্লক মার্কেটে ২৫ কোম্পানির ১৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে; সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড সর্বোচ্চ ৯ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
৯ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেড এবং সাড়ে ৯ শতাংশ দাম হারিয়ে তলানিতে এশিয়াটিক ল্যাবরেটোরিজ লিমিটেড।
সূচকের বড় পতন হয়েছে সিএসইতে; সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৪৬ পয়েন্ট।
দাম কমেছে অধিকাংশ কোম্পানির; ৯৩ কোম্পানির দরপতনের বিপরীতে দর বেড়েছে ৪৪ কোম্পানির এবং অপরিবর্তীত আছে ১৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে ১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ১৩ কোটি ১০ লাখ টাকা।
সাড়ে সাত শতাংশ দাম বেড়ে ভিএফএস থ্রেড ডাইং লিমিটেড এবং ১০ শতাংশ দাম কমে তলানিতে রিং শাইন টেক্সটাইলস লিমিটেড।
পূর্বের পোস্ট :