রেকর্ড দাম বৃদ্ধির পর একদিনের ব্যবধানে শুক্রবার বাংলাদেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১৪৬৩৮ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস, স্বর্ণের দাম ১৪৬৩৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২৭১৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করেছে— যা তৎক্ষনাৎ কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিউর গোল্ড) দাম কমানো এ মূল্যহ্রাস করা হয়েছে। নতুন দাম অনুয়ায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২৫৮৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২২২০২৪ টাকা ও সনাতনী স্বর্ণের দাম পড়বে ১৮২৮৩৩ টাকা।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ ২৯ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম ভরিতে ১৬২১৩ টাকা বাড়িয়ে এক ভরি স্বর্ণের দাম ২৮৬০০০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস— যা ছিল দেশের বাজারে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।
এ নিয়ে ২০২৬ সালে ১৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে; যেখানে দাম বেড়েছে ১৩ দফা ও কমেছে ৪ দফা।
স্বর্ণের দাম কমানোর পাশাপাশি রূপার দামও কমিয়েছে বাজুস; ৮১৬ টাকা দাম কমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৭৭৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে টানা ৪ দফা দাম বাড়ার পর কমলো রূপার দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৭ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৭৮২ টাকা।
এদিকে বিশ্ববাজারেও কমতির দিকে স্বর্ণের দাম; স্পট মার্কেটে বৃহস্পতিবার প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছিল প্রায় ৫৬০০ ডলার, যা শুক্রবার কমে ৫১০০ ডলারে নেমে এসেছে— এতে করে একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৪ শতাংশের বেশি।
পূর্বের পোস্ট :