স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, যেকোনো নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে জনগণ। তারাই সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। তাছাড়া আমাদের দেশের জনগণ নির্বাচন সম্পর্কে খুবই সচেতন। এরই মধ্যে পাড়া-মহল্লায়, চায়ের দোকানে নির্বাচনের আলাপ-আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচনি আমেজ বিরাজ করছে এবং জনগণ নির্বাচনমুখী। আর জনগণ নির্বাচনমুখী হলে কেউ আটকাতে পারবে না।
উপদেষ্টা আজ সকালে রাজধানীর রমনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) হেডকোয়ার্টার্স প্রাঙ্গণে রাজস্ব খাতে ক্রয়কৃত ২০টি নতুন গাড়ি (ডাবল কেবিন পিকআপ) ডিএমপিকে হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে এবং ধাপে ধাপে তাদের প্রশিক্ষণ চলমান। আমাদের সবার প্রচেষ্টা থাকবে নির্বাচনটা যেন অবাধ, নিরাপদ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। অপরাধের সংখ্যা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা কমে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবকিছুর মূল হচ্ছে জনগণ। তারা আস্তে আস্তে আগের চেয়ে সচেতন হচ্ছে। জনগণ যখন বুঝবে এ ঘটনা বা অপরাধগুলো খারাপ, তখন তারাই এর প্রতিকারে এগিয়ে আসবে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় পুলিশের যানবাহনের সংখ্যা কম। বিশেষ করে ১ জুলাই থেকে ৬ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও তৎপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত বিভিন্ন ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশের ৫২৬টি সরকারি যানবাহন ভস্মীভূত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যায়। তন্মধ্যে ডাবল কেবিন পিকআপ ২৪১টি, মোটরসাইকেল ২১৭টি ও অন্যান্য যানবাহন ৬৮টি।
তিনি বলেন, যানবাহন সমস্যা দূরীকরণের মাধ্যমে প্রকৃত নাগরিক সেবা নিশ্চিতকল্পে পুলিশের জন্য ২০০টি ডাবল কেবিন পিকআপ, ১৫২টি মোটরসাইকেল ও ৬৬টি অন্যান্য যানবাহনসহ মোট ৪১৮টি যানবাহন ক্রয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০০টি ডাবল কেবিন পিকআপ প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছে। উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নতুন এসব যানবাহন ও সরঞ্জামাদির মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ অতি দ্রুত জনগণের দোরগোড়ায় কার্যকর ও দ্রুততম সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে এবং দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।
পূর্বের পোস্ট :