ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি বলে রোববার অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-১১ আসনের জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সকালে বাড্ডা-সাতারকুলের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি বলেন, “নির্বাচনে জামায়াত জোটের কর্মীদের নানা রকমের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সরাসরি প্রচারণায় বাধা দেয়া না হলেও একটি ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে মানুষ ভোট দিতে না যায়। কিন্তু এই অপচেষ্টা কাজে দিবে না।”
নির্বাচন কমিশন জামায়াত জোটের সঙ্গে নিরপেক্ষ আচরণ করছে না উল্লেখ করে নাহিদ জানান, গণভোটের প্রচারণা চালানোর জন্য তাকে শোকজ দেয়া হয়েছে। কিন্তু অন্যরা নিজ দলের প্রচারণা চালালেও সেখানে কমিশন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ তার।
ভোটের মাধ্যমে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দখলবাজদের শেষ দিন হবে বলে মন্তব্য করেন নাহিদ। “মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল ৫ আগস্টের পর দেশে চাঁদাবাজি-দখলবাজি বন্ধ হবে। কিন্তু কিছু মানুষের জন সেটি হয়নি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিনই হবে চাঁদাবাজদের শেষ দিন।”
এ সময় এলাকার সমস্যা ও সংকটগুলো তুলে ধরে সমাধানের আশ্বাস দেন নাহিদ। “এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতা পরিবর্তন নয়, নতুন বাংলাদেশ গড়ার। একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবার যেখানে ভোটের মাঠের সমীকরণে নতুনত্ব দেখা যাবে।”
ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, “যাকেই ভোট দিন বিবেচনা করে দিবেন। কারণ এবারের ভোট বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।”
এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে নাহিদ বলেন, “আপনারা যাতে কোনো কিছুর বিনিময়ে, কোনো সুবিধার বিনিময়ে বা কোনো মিথ্যা আশ্বাসে ভোট না দেন। আপনারা চিন্তাভাবনা করে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিবেন—যিনি সত্যিকার অর্থেই আপনারা এলাকার এবং দেশের পরিবর্তন করতে সক্ষম।”
প্রচারণার সময় শাপলা কলিতে ভোট দেয়ার পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ারও আহবান জানান নাহিদ।
পূর্বের পোস্ট :