আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করতে সিলেটকে বেছে নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সিলেটের ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ উদ্বোধনী জনসভা। দলীয় নেতারা একে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ সূচনা হিসেবে দেখছেন।
জনসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আলিয়া মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। উৎসবমুখর পরিবেশে মাঠজুড়ে বিরাজ করছে নির্বাচনী আবহ।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান সিলেটবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির জাতীয় নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।
বুধবার সন্ধ্যায় তারেক রহমান বেলা প্রায় ৮টায় বিমানের একটি ফ্লাইটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। পরে তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)–এর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি দক্ষিণ সুরমার বীরাইমপুরে তার শ্বশুরবাড়িতে যান।
সেখানে উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “ডা. জুবাইদা যেমন আপনাদের সন্তান, আমিও আপনাদের সন্তান। আমি আশা করি, এই এলাকায় বিএনপি নির্বাচনে বিজয়ী হবে। আপনাদের এই অঙ্গীকার আমি সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি।”
জনসভা উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে মঞ্চের সামনে প্রায় ৩০ ফুট এলাকা বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘেরা হয়েছে। ব্যারিকেড দেওয়া এলাকার উত্তর পাশে জুলাইয়ের ঘটনাবলিতে শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য আলাদা স্থান সংরক্ষণ করা হয়েছে।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গাউস জানান, এই জনসভা থেকে সিলেট জেলার ছয়টি ও সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনের জন্য দল ও জোট মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সিলেট বিভাগের মোট ১৯টি আসনের প্রার্থীদেরও আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত করা হবে।
এদিকে, জনসভাস্থলের উদ্দেশে তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর ইতোমধ্যে রওনা দিয়েছে। সিলেটের এই জনসভাকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পূর্বের পোস্ট :