বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে তার চিকিৎসকেরা নিষেধ করার পরেও ২১ নভেম্বর শুধু দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রতি ভালোবাসার জায়গা থেকে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান।

“আম্মার শরীর কয়েক দিন ধরেই খারাপ ছিল। চিকিৎসকেরা বলেছিলেন, ম্যাডাম না গেলে হয় না। কিন্তু তিনি বারণ উপেক্ষা করে শুধু ভালোবাসার জায়গা থেকে যোগ দিয়েছিলেন সেই অনুষ্ঠানে,” মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তারেক রহমান।

সেদিনের কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাতে অনলাইনে আমরা পরিবারের সবাই গল্প করছিলাম। সেদিন অনুষ্ঠানে আম্মার সঙ্গে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীও গিয়েছিলেন। তিনি জানান, অনুষ্ঠানে গিয়ে আম্মা মানসিকভাবে এত বেশি খুশি হয়েছেন, যা বলার মতো না।”

“এই ঘটনার পর মনে হয় না আর আলাদা করে বলার দরকার আছে—এ দেশের সেনাবাহিনীর প্রতি জিয়া পরিবারের ভালোবাসা কতটা গভীর,” বলেন তারেক।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “তিনি এখনো অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশনে আছেন। তাঁর জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন।”

২১ নভেম্বরের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “সেদিন ম্যাডাম এত বেশি হাসিখুশি ছিলেন, মনে হচ্ছিল তিনি নিজ ঘরে ফিরে এসেছেন।”

প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। ২৭ নভেম্বর তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। ১৭ দিন ধরে এভারকেয়ারে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।