টানা ছয় দফা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পর শুক্রবার রাতে ভরিতে ৩১৪৯ টাকা স্বর্ণের দাম কমলেও শনিবার দুপুরে আবারও ভরিতে ৬২৯৯ টাকা দাম বাড়িয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাজুস।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস, প্রতি ভরি স্বর্ণের সাম ৬২৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২৫৫৬১৭ টাকা নির্ধারণ করেছে— যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নির্ধারিত নতুন দাম তাৎক্ষণিক কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।ল

নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

সবশেষ ২২ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ নিয়ে ২০২৬ সালে দেশের বাজারে ১২ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩ দফা।

স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম; ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।