আন্তবর্তীকালীন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসাবে যোগদান ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও দায়িত্বে থাকাকালে অন্তবর্তীকালীন সরকারের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে মঙ্গলবার মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

"নিরপেক্ষতার স্বার্থে ছাত্র উপদেষ্টাদের পদত্যাগের দাবি উঠেছিল এবং তারা পদত্যাগও করেছিল। কিন্তু এখন খলিলুর রহমানের বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হওয়াই প্রমাণ করে তিনি এতদিন অন্তবর্তীকালীন সরকারে থেকে একটি নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ করেছেন," সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের বলেন নাহিদ।

নাহিদ বলেন, "আমরা যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর অভিযোগ তুলে আসছি খলিলুর রহমানের বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভায় যোগদান সেই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে। আমাদের কৌশল করে অনেকগুলো আসনে হারিয়ে দিয়ে বিএনপি দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়েছে। এতে করে তারা এখন সংবিধান সংস্কার নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করার সুযোগ পাচ্ছে।" 

নাহিদ জানান, একই দিনে একই স্থানে একই ব্যক্তির কাছে সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ নেয়ার পর সবার সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে শপথ নেয়ার কথা থাকলেও সংবিধানে এই সংস্কার পরিষদের ভিত্তি নেই এমন যুক্তি দেখিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেননি। "এটা গণভোটের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো। জুলাই সনদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কথা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে। সেই সনদে স্বাক্ষর করে এখন শপথ না নেয়া মানে প্রথম দিনই সরকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।" 

নাহিদ জানান, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেয়ার শুধু রাজনৈতিক না নতুন করে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। জুলাই সনদের মাধ্যমেই এই সংস্কার পরিষদ ও গণভোটের বৈধতা দেয়া হয়েছে। তিনি বিএনপিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিয়ে সংকট সমাধানের আহ্বান জানান।