বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান টানা প্রায় ১৪ ঘণ্টায় ছয়টি নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে তাঁর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচার শেষ করেছেন। 

এসব সমাবেশে তিনি বিএনপি ও জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চান।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সাইরুল কবির খান জানান, রোববার রাত ২টা ১৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের বালুরমাঠে শেষ সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান।

এরপর সোমবার ভোর ৩টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরে যান।

রোববার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের পলো গ্রাউন্ডে বড় সমাবেশের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন তারেক রহমান। 

এরপর পর্যায়ক্রমে তিনি ফেনী পাইলট স্কুল মাঠ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম স্কুল মাঠ, সোনাগাজীর দিগবাজি মাঠ, দাউদকান্দি ঈদগাহ মাঠ এবং সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জের বালুরমাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন।

সমাবেশগুলোতে তারেক রহমান ভোটারদের প্রতি বিএনপি ও জোটের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ক্ষমতায় গেলে দেশ ‘পুনর্গঠনে’ বিএনপি যে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়, তার মূল দিকগুলো তুলে ধরেন।

শীতের ঠান্ডা উপেক্ষা করে হাজারো বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থক এসব সমাবেশে অংশ নেন। 

উপস্থিতদের মধ্যে নারীর সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য।

সমাবেশ চলাকালে তারেক রহমানকে একাধিকবার কাশতে দেখা যায়। চৌদ্দগ্রাম স্কুল মাঠের সমাবেশে তিনি বলেন, তাঁর ঠান্ডা লেগেছে এবং জ্বর অনুভব করছেন। সে কারণে তিনি জোরে কথা বলতে পারছেন না। 

এ সময় তিনি উপস্থিত সবাইকে নীরবে ও মনোযোগ দিয়ে তাঁর বক্তব্য শোনার অনুরোধ জানান।

তারেক রহমান শনিবার রাতে চট্টগ্রামে পৌঁছান এবং সেখানে একটি হোটেলে রাত যাপন করেন। রোববার সকালে তিনি একটি যুব নীতি সংলাপে অংশ নেন, যেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে আলোচনা করেন এবং তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

এর আগে ২২ জানুয়ারি সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম দফার নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন তারেক রহমান। প্রথম দফায় তিনি সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে মোট সাতটি সমাবেশে বক্তব্য দেন।

বিএনপির চেয়ারম্যানের প্রচার কার্যক্রম আজও অব্যাহত রয়েছে। 

সোমবার বিকেল ৪টায় তিনি ভার্চ্যুয়ালি নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। 

এ সমাবেশে তিনি নোয়াখালী-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহবুবুর রহমান শামীমের পক্ষে ভোট চাইবেন।