সোমবার সকালে এক দফা স্বর্ণের দাম কমানোর পর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাজুস আরেক দফায় ৫৪২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২৪৫৭৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে।

বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস স্বর্ণের নতুন এ দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। এতে করে একদিনে স্বর্ণের দাম কমলো ১২০১৪ টাকা, যা আজকে বিকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।  ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

সবশেষ সোমবার সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ভরিতে ৬৫৯০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

২০২৬ সালে দেশের বাজারে ২২ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৮ দফা।

স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ২০২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।

বিশ্ববাজারেও কমতির দিকে স্বর্ণের দাম; স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪৭৫০ ডলারে। একদিনের ব্যবধানে প্রতি আউন্স স্বর্ণে দাম কমেছে ১৩৫ ডলারের বেশি। 

এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ১৫ দফা সমন্বয় করা হলো রুপার দাম। যেখানে দাম ৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৬ দফা।