বাংলাদেশের বাজারে সোমবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দামে ৬৫৯০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে— যা তাৎক্ষণিক কার্যকর হবে।

নির্ধারিত নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের হলমার্ক যুক্ত ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

সর্বশেষ ১ ফেব্রুয়ারি রাতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ভরিতে ভরিতে ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

২০২৬ সালে দেশের বাজারে ২১ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৭ দফা।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ৩১ জানুয়ারি সকালে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ২৯০ টাকায়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বেচাকেনা হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৫ দফা।