ইউএই প্রেসিডেন্টের এই সাধারণ ক্ষমাকে তাঁর উদারতা ও মানবিকতার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছে ঢাকাস্থ ইউএই দূতাবাস।
দূতাবাস জানায়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষাপটে ইউএই-তে গ্রেপ্তার হওয়া এবং পরবর্তীতে দেশটির আদালতে দণ্ডিত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করা হয়।
ক্ষমাপ্রাপ্ত সবাইকে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের এই সিদ্ধান্ত তাঁর মহানুভবতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির আরেকটি উদাহরণ।
এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহানুভূতি, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ইউএই-এর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন পর্যায়ে ওই প্রবাসী বাংলাদেশিরা ইউএই-তে আটক হন।
এর আগেও ইউএই প্রেসিডেন্ট একাধিকবার বাংলাদেশি প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমা প্রদান করেছেন। বিশেষ করে ইউএই-তে বিরল ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের ক্ষমা করে দেশটির মানবিক ও সহানুভূতিশীল অবস্থানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।
পূর্বের পোস্ট :