বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), বৃহস্পতিবার ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস যা সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ডের মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সবশেষ ১০ জুন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
সবশেষ ১০ দফা দাম সমন্বয়ে ৮ বারই কমেছে স্বর্ণের দাম। এরমধ্যে সবশেষ টানা ৪ দফায় কমানো হয়েছে মোট ১৯ হাজার ৭৭১ টাকা।
২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩৬ দফা।
স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে দেশের বাজারে আরেক দফা কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮৪১ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৯৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২২ দফা।
পূর্বের পোস্ট :