ঈদের ছুটির পর ও মাসের শুরুতেই মঙ্গলবার বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণ ও রূপার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস); স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৩২৬৬ টাকা ও রূপার দাম কমেছে ভরিতে ১৭৭ টাকা।
সকালে এক বার্তায় বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ৩২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত দাম সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সবশেষ ২৫ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩৩ দফা।
স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১১৭ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ১৯ দফা।
পূর্বের পোস্ট :