ইরানের হামলায় সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে অবস্থান করা মার্কিন বাহিনীর পাঁচটি জ্বালানি ভরার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ওই পাঁচটি বিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। বর্তমানে সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে।
তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মার্কিন সামরিক বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ড, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকম)।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্র নাকি ড্রোন হামলায় বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর জবাবে তেহরানও ইসরায়েলের বিভিন্ন শহর এবং আশপাশের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলা শুরু করে।
এ পর্যন্ত ইরানের পাল্টা হামলার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোতে। তুলনামূলকভাবে সৌদি আরবে হামলার খবর কম পাওয়া গেছে।
তবে সৌদি আরবে কবে, কখন এবং কোন বিমানঘাঁটিতে পাঁচটি জ্বালানি ভরার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
এর আগে শুক্রবারই মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, ইরাকে তাদের একটি জ্বালানি ভরার বিমান ভূপাতিত হয়েছে। পরে নিশ্চিত করা হয়, ওই বিমানে থাকা ছয়জন ক্রুর সবাই নিহত হয়েছেন।
এছাড়া ইরানে হামলার শুরুর দিকেই কুয়েতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে কুয়েত ও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনার ভুলের কারণেই বিমানগুলো বিধ্বস্ত হয়েছিল।
পূর্বের পোস্ট :