সরকার জুলাই বিদ্রোহে অংশ নেওয়া সকলের জন্য বিশেষ সুরক্ষা নিশ্চিত করে ‘জুলাই বিদ্রোহ (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের সংসদ ও আইন বিষয়ক বিভাগের পক্ষ থেকে রবিবার রাতে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জুলাই বিদ্রোহে অংশ নেওয়া সকলের বিরুদ্ধে চলমান দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং নতুন কোনো মামলা করা যাবে না।
২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষ গণবিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল। ওই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। বিদ্রোহকারীরা তখন নিজেদের ও সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে বাধ্য হয়েছিল।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বিদ্রোহে অংশ নেওয়া সকলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ থাকলে তা বন্ধ করা হবে। নতুন মামলা করা যাবে না। যদি কোনো মামলা হয়, সরকারি আইনজীবী আদালতে আবেদন করলে তা স্থগিত হবে এবং অভিযুক্তরা অবিলম্বে সুরক্ষিত থাকবেন।
বিদ্রোহকালে হত্যার অভিযোগ মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করবে। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা এই তদন্তে যুক্ত হতে পারবে না। তদন্ত চলাকালীন গ্রেফতারের জন্য কমিশনের অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
যদি তদন্তে দেখা যায় বিদ্রোহকারীদের কাজ ছিল রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ, তাহলে কমিশন ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করতে পারবে, কিন্তু কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।
সরকার প্রয়োজনে এই অধ্যাদেশ কার্যকর করার জন্য নিয়ম তৈরি করতে পারবে।
পূর্বের পোস্ট :