প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাজে উৎসাহ ও গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে বুধবার জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এএনএম এহছানুল হক মিলন।

“শিক্ষার শুরুটা হয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। কাজেই প্রাথমিক থেকেই আমাদের নজর বাড়াতে হবে। সঠিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ব্যতীত কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সম্ভব,” প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি শনিবার শিক্ষা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা করেন। সারা সপ্তাহের কাজের অগ্রগতি তার নিকট উপস্থাপন করতে হবে। শিক্ষা খাতে গতি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি ও অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে মিলন বলেন, “দাবি থাকবেই, সম্পূর্ণভাবে সব দাবি পূরণ করা সম্ভব নয়। যেসব দাবি যৌক্তিক, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। কাউকে বঞ্চিত করা যাবে না।”

প্রাথমিক শিক্ষাখাতে বিএনপি সরকার বাজেট বাড়াবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, “এবার এ খাতে বাজেট বৃদ্ধি পাবে। যৌক্তিক অভিযোগগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

মন্ত্রী মাঠপর্যায় পর্যন্ত কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মিলন বলেন, “সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও বেশি নিবেদিত হয়ে কাজ করলে শিক্ষার মান উন্নত হবে। আমরা কী করেছি, কী করা উচিত এবং কীভাবে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা যায় এ বিষয়ে আমাদের নজর দিতে হবে।”

এ খাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর মূল্যায়ন করা হবে উল্লেখ করে মিলন বলেন, “পূর্ববর্তী প্রকল্পের মিশন ও ভিশন কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অতীতে অবকাঠামো উন্নয়নে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও এখন থেকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হবে।”

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন 

সিনিয়র তথ্য অফিসার 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়।