ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বৃহস্পতিবার ঢাকায় সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে, নানা পর্যায়ে বিচ্ছিন্ন অভিযোগ আসলেও ঘটেনি বড় কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা।
সকাল সাড়ে সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় সারাদেশসহ রাজধানী ঢাকায়। সকালে শুরুতে ভোটকেন্দ্রে চাপ কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভোটারদের চাপ।
সরেজমিনে ঢাকার বিভিন্ন আসন ঘুরে দেখা যায়, দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের চাপ ছিল সর্বোচ্চ। বিশেষ করে নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
এবারের নির্বাচনে অনেক তরুণই প্রথমবারের মতো ভোট দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, গত দেড় দশকের মতো ভোটকেন্দ্রে এসে শুনতে হয়নি আগে থেকেই তাদের ভোট দেয়া হয়ে গেছে। পছন্দের প্রার্থীকে নিজেরা যাচাই-বাছাই করে ভোট দিতে পেরেছেন।
নারী ভোটাররা জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা ছিল না। তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিতে পেরেছেন।
তবে অনেক ভোটারের অভিযোগ, এবার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। এতে অনেককেই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ ভোট দেয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে।
ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টা পর্যন্ত ঢাকার পাঁচটি আসনে প্রায় ৪০ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন।
ঢাকা-১ আসনে ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ, ঢাকা-২ আসনে ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ, ঢাকা-৩ আসনে ৩৬ দশমিক ১ শতাংশ, ঢাকা-১৯ আসনে ৩৬ দশমিক ২ শতাংশ এবং ঢাকা-২০ আসনে ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এবারের নির্বাচনে জাতীয় সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচন ছাড়াও গণভোট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনের প্রধান দুটি দল বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নানা পর্যায়ে অভিযোগ করলেও নির্বাচনে বড় কোনো কারচুপির অভিযোগ তোলেনি।
পূর্বের পোস্ট :