মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানান, অপরিকল্পিতভাবে মাছ আহরণের কারণে সমুদ্রে মাছের স্টক কমে যাচ্ছে; গভীর সমুদ্রে যেতে না পারা এবং উপকূলে মাছ ধরা কমে আসা—উভয়ই বর্তমানে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে মৎস্য অধিদপ্তরের ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’ প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা জানান, উপকূল ও গভীর সমুদ্রকে কেন্দ্র করে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।

ফরিদা বলেন, "মেরিন ফিশারিজে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে।"

নারী জেলেদের প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, দেশে মাত্র ৪ শতাংশ নারী জেলে কার্ড পেয়েছেন—সংখ্যাটি কম হলেও এটি একটি ইতিবাচক সূচনা। সমাজে নারীদের কাজের যথাযথ স্বীকৃতি এখনো পাওয়া যায় না; বিভিন্ন ফোরামে সেই স্বীকৃতি আদায়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি তাদের অন্যান্য সেক্টরে সম্পৃক্ত করাও জরুরি।

সমুদ্র সম্পদের অজানা সম্ভাবনার দিকেও তিনি দৃষ্টি দেয়ার আহ্বান জানান। বলেন, "অনেক মাছের প্রজাতি এখনো শনাক্ত করা যায়নি, ডিপ সি ফিশিং পুরোপুরি শুরু হয়নি। ইতোমধ্যে পরিচালিত বিভিন্ন জরিপে মাছের স্টক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে"।

কপ–৩০ সম্মেলনের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে ফরিদা জানান, জলবায়ু পরিবর্তন এখন মেরিন ফিশারিজের বড় প্রভাবক। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। তাই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।