পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে দুই দিনে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এর মধ্যে ছয় হাজারের বেশি পুরুষ এবং প্রায় ৫০০ নারী রয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় অ্যাপের সর্বশেষ ডেটা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দিতে আগ্রহী প্রবাসীরা দুই দিনে ২৯টি দেশ থেকে নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩ হাজার ১৫৩ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে জাপান—১ হাজার ৪৭৫ জন। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার ৭৮৭ জন, চীনের ৪৫০ জন, মিশর ও লিবিয়া থেকে ১২৩ জন করে নিবন্ধন করেছেন।
গত মঙ্গলবার প্রবাসী ভোটার ও দেশের ভেতরের তিন ধরনের ব্যক্তিদের জন্য ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ উদ্বোধন করা হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিবন্ধিত ভোটাররাই এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচ দিন করে নিবন্ধনের সময় নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ‘ওসিভি–এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, প্রথম পর্বে ১৯ থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকা অঞ্চলের ৫২টি দেশের প্রবাসীরা নিবন্ধন করতে পারবেন। ২৩ নভেম্বর এ পর্বের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাবে।
অন্য অঞ্চলগুলোর প্রবাসীরাও ধাপে ধাপে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করতে পারবেন। দেশের ভেতরের তিন ধরনের ব্যক্তির নিবন্ধন হবে ১৯ থেকে ২৩ ডিসেম্বর। এ সময় বাদ পড়া প্রবাসীরাও নিবন্ধন করতে পারবেন।
নিবন্ধন করতে হবে অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে।
পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়া
পোস্টাল ভোট বিডির প্রচার, নিবন্ধন, ব্যালট পেপার প্রস্তুত, তিন ধরনের খাম মুদ্রণ, কর্মকর্তা উপস্থিতি, পার্সোনালাইজেশন, পোস্টাল ব্যালট পাঠানো, ট্র্যাকিং, ভোট প্রদান, ডাকবাক্সে খাম ফেলা, ব্যালট ফেরত, রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছানো, ব্যালট বাক্সে সংরক্ষণ, গণনা এবং শেষ ধাপে ফল ঘোষণা—সব মিলিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ডাকভোট সম্পন্ন হবে।
ওসিভি: প্রবাসী ভোটার তালিকাভুক্তি
অ্যাপ ডাউনলোড → অ্যাকাউন্ট তৈরি → মোবাইল–ইমেইল যাচাই → লগইন → এনআইডি ভেরিফিকেশন → ফেস রেকগনিশন → প্রবাসের ঠিকানা ও পাসপোর্ট তথ্য → নিবন্ধন সম্পন্ন।
সরকারি চাকরিজীবীদের তালিকাভুক্তি (আইসিপিভি)
অ্যাপ লগইন → ই-কেওয়াইসি → ফেস রেকগনিশন → এনআইডি ও আইবাস++ যাচাই → ঠিকানা ও ওটিপি → নিবন্ধন সম্পন্ন → ডাকযোগে ব্যালট প্রেরণ।
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নিবন্ধন
অ্যাপ লগইন → ই-কেওয়াইসি → ফেস রেকগনিশন → এনআইডি যাচাই → ঠিকানা ও ওটিপি → নিবন্ধন সম্পন্ন → ভোটার তালিকা মুদ্রণ → ব্যালট গ্রহণ।
কারাবন্দিদের তালিকাভুক্তি
তফসিলের পর কারা অধিদপ্তর তালিকা দেবে → কারাগারে অ্যাপ লগইন → ই-কেওয়াইসি → ফেস রেকগনিশন → এনআইডি যাচাই → নিবন্ধন সম্পন্ন → ডাকযোগে ব্যালট প্রেরণ ও গ্রহণ।
পূর্বের পোস্ট :