মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের ১৬তম রাজ্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বারিসান ন্যাশনাল (বিএন)। ৫৬টি আসনের মধ্যে ৪৮টি জিতে নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি আসনে তারা রেকর্ড ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেছে। অন্যদিকে, পাকাতান হারাপানের (পিএইচ) একটি আসনে জয় এসেছে মাত্র ১৭০ ভোটের ব্যবধানে।

সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন পারমাস আসনে বিএন প্রার্থী বাহারুদ্দিন মোহাম্মদ তাইব। তিনি ৫১ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে পিএইচ প্রার্থী শ্যারন তেওকে পরাজিত করেন। শ্যারন পেয়েছেন ২১ হাজার ৭৬৯ ভোট। ফলে বাহারুদ্দিনের জয়ের ব্যবধান দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৫০৫ ভোট। ২০২২ সালের নির্বাচনে এই আসনে তাঁর জয়ের ব্যবধান ছিল ৭ হাজার ৯২৬ ভোট।

জোহরের মুখ্যমন্ত্রী ওন হাফিজ গাজিও মাচাপ আসনে বড় জয় পেয়েছেন। তিনি ২০ হাজার ৩৮২ ভোট পেয়ে পিএইচের নর হাফিজ রোসলানকে হারান। নর হাফিজ পেয়েছেন ৫ হাজার ৭ ভোট। এতে ওন হাফিজের জয়ের ব্যবধান হয়েছে ১৫ হাজার ৩৭৫ ভোট, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

এ ছাড়া তিরাম আসনে বিএনর দাতুক আবদুল হালিম সুলেইমান ২৮ হাজার ২৫৫ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। কোটা ইস্কান্দার আসনে দাতুক পানদাক আহমদ ২১ হাজার ২০৬ ভোটের ব্যবধানে নিজের আসন ধরে রেখেছেন।

লারকিন আসনে মোহদ হাইরি মাদ শাহ ২০ হাজার ২৮২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। পান্তি আসনে ডা. মুহাম্মদ নাকিব মোহদ গাজালি জিতেছেন ১৮ হাজার ৯৪৮ ভোটের ব্যবধানে।

পাকাতান হারাপানের মধ্যে সবচেয়ে বড় জয় এসেছে ডিএপির কার্তিয়াইনি জেয়াপালানের হাত ধরে। তিনি স্কুদাই আসনে ১৫ হাজার ২৮০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। একই দলের এনজি ইয়াক হাউ বেন্তায়ান আসনে ৬ হাজার ১১২ ভোটের ব্যবধানে বিজয় পেয়েছেন।

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. মাসজলি মালিক পুতেরি ওয়াংসা আসনে ৫ হাজার ৭৪৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেছেন। অন্যদিকে, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদহাম বাবা পাসির রাজা আসনে ১২ হাজার ৪৪৬ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।

এদিকে, এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে কম ব্যবধানে জয় এসেছে পাকাতান হারাপানের সিমপাং জেরাম আসনে। সেখানে প্রার্থী নাজরি আবদুল রহমান মাত্র ১৭০ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।