তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার পথে ‘ঐক্যবদ্ধভাবে’ কাজ করে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

দেড় যুগ ধরে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশে ফিরছেন। তাকে ঢাকার জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (তিনশ ফিট সড়ক) সংলগ্ন এলাকায় সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান প্রায় দেড় যুগ পর বাংলাদেশে ফিরছেন। স্বৈরাচারের পতন, পরিবর্তিত পরিস্থিতি, নানা উত্থান-পতন ও রাজনৈতিক ক্রমধারার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি আজ বাংলাদেশে আসছেন। আমরা ২৪-এর অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে তাকে স্বাগত জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘পূর্ব অভিজ্ঞতা ও বর্তমান বাস্তবতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক লড়াই, আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াই থেকে শুরু করে আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার পথে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা কাজ করে যাব—এটাই প্রত্যাশা। স্বাগতম।’

তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সারাদেশ থেকে লাখো মানুষ ঢাকায় এসেছেন বলে জানানো হয়েছে।

লন্ডন থেকে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেটে পৌঁছায়। যাত্রাবিরতি শেষে ফ্লাইটটি বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এ ফ্লাইটেই তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা আসছেন।

ঢাকা পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানাবেন।

ভিআইপি লাউঞ্জের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারেক রহমান জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন সংবর্ধনার অনুষ্ঠানস্থলে যাবেন। সেখানে মঞ্চে উঠে তিনি নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তারেক রহমান তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর থেকে বসুন্ধরার এই হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

হাসপাতাল থেকে পরে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় যাবেন। সেখানেই তারা অবস্থান করবেন।