চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় সিরিজ গড়ালেও বৃষ্টি যেন পিছু ছাড়ছে না। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর সিরিজের শেষ ম্যাচেও থাকছে একই শঙ্কা। ম্যাচের আগের দিন আকাশের অবস্থা ছিল অনিশ্চিত, অনুশীলন নিয়েও তৈরি হয়েছিল সংশয়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য মাঠেই অনুশীলন করতে পেরেছে দুই দল।

দুপুরে সফরকারী দল নিউ জিল্যান্ড নির্বিঘ্নে অনুশীলন করেছে। বাংলাদেশ দলও শেষ ম্যাচের প্রস্তুতি সেরেছে। সিরিজ নির্ধারণী টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি শনিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় শুরু হবে।

শেষ ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলে সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ। তবে মাঠে খেলে জিতেই সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় দলটি। সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক উন্নতির পথে থাকা বাংলাদেশের জন্য প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথম ম্যাচে দারুণ পাল্টা আক্রমণে জয়ের নায়ক শামীম হোসেন বলেন, “আমরা ভালো খেলতে পেরেছি, ইতিবাচক মানসিকতা দেখাতে পেরেছি। পরের ম্যাচেও সেটা ধরে রাখতে চাই। আমাদের সামনে সিরিজ জয়ের ভালো সুযোগ আছে, আমরা জয়ের লক্ষ্যেই খেলতে নামব।”

দ্বিতীয় ম্যাচটি ভেস্তে যাওয়ায় দল নির্বাচনে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। প্রথম দুটি ম্যাচ পুরোপুরি হলে নতুনদের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে শেষ ম্যাচে পেস আক্রমণে পরিবর্তন এলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। সেক্ষেত্রে মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকে দেখা যেতে পারে।

অন্যদিকে নিউ জিল্যান্ডের সামনে সিরিজ জয়ের সুযোগ নেই। শেষ ম্যাচ জিততে পারলে তারা সিরিজ সমতায় ফেরাতে পারবে। দলের অলরাউন্ডার ডিন ফক্সক্রফট বলেন, “প্রথম ম্যাচ থেকে আমরা শিক্ষা নিয়েছি। কোথায় ভুল হয়েছে, তা নিয়ে কাজ করেছি। শেষ ম্যাচে জিতে সিরিজ সমতায় ফেরাতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “দলের পরিবেশ ইতিবাচক আছে। সবাই নিজেদের উন্নতির জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করছে। অনুশীলনের মাধ্যমে আমরা ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি।”

চোটের কারণে দলের বাইরে থাকা অধিনায়ক টম ল্যাথাম শেষ ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ম্যাচের আগের দিন তিনি অনুশীলন করেননি, ফলে তার খেলার সম্ভাবনা কম।

এই সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি সংস্করণে কিছুদিন বিরতি পাবে বাংলাদেশ দল। চলতি মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যস্ত থাকবেন লম্বা সংস্করণের ক্রিকেটাররা। এরপর আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ রয়েছে।

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় দিয়ে সিরিজ শেষ করতে পারলে বিরতিতে যাওয়ার আগে আত্মবিশ্বাস বাড়বে বাংলাদেশের, যা পরবর্তী সিরিজের জন্য বড় প্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।