২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বুধবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরেক দফা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
সবশেষ ২১ জুলাই সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪৫ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৭ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৭৮২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৯৭৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২৮ দফা।