বাংলাদেশে জমি কেনার পর হোল্ডিং ও খতিয়ান এন্ট্রি এবং এন্ট্রি করার পর কোনো ভুল হলে ক্রেতাদের যেসব ঝামেলা পোহাতে হয় আগামীতে তা থেকে রেহাই দিতে ইতোমধ্যে ইউএনডিপির সঙ্গে একটি প্রকল্পে ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।
মঙ্গলবার ঢাকার সাভারে সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ এর প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন শেষে সিনিয়র সচিব জানান, হোল্ডিং ও খতিয়ান এন্ট্রি এবং এন্ট্রির পরে ভুল সংশোধন থেকে ক্রেতাদের হয়রানি থেকে রেহাই দিতে কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলায় প্রকল্পের পাইলট প্রজেক্ট নেয়া হয়েছে।
সালেহ বলেন, "আটটি জেলায় প্রকল্পের পাইলটিং শেষ হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় হোল্ডিং ও খতিয়ানের ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে শতভাগ খতিয়ান ও হোল্ডিং এন্ট্রি এবং ভুল সংশোধনের এ কার্যক্রম সারা দেশে বাস্তবায়িত হবে।"
সাভারে ডেটা এন্ট্রি ও সংশোধন কার্যক্রম যথাযথ ভাবে পরিচালিত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। ডেটা এন্ট্রি সম্পন্ন হলে ভূমিসেবা সিস্টেম আরও সহজ, জনবান্ধব ও স্বয়ংক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সালেহ।
সাভারে সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রসঙ্গে সিনিয়র সচিব জানান, প্রস্তাবিত স্থানটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এবং এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন জমি। প্রকল্পটি ইতোমধ্যে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে। এ উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ হলে উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস একই ভবনে স্থানন্তর করা সম্ভব হবে এবং জনগণ একছাতার নীচে ভূমি জরিপ,মিউটেশন ও অন্যান্য ভূমিসেবা পাবেন।
এরপর তিনি সাভার উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় পরিদর্শন করেন। তিনি কর্মকর্তাদের মিউটেশনসহ অন্যান্য ভূমিসেবা জনগণকে হয়রানি না করার নির্দেশনা দেন।
পূর্বের পোস্ট :