ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্বজনদের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফেরা মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শুক্রবার রাত থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা থেকে এলেঙ্গার কাছাকাছি পৌলি পর্যন্ত মহাসড়কের অন্তত ১৫ কিলোমিটার এলাকায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মো. শরিফ বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং যমুনা সেতু ও এর সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসছে বলে জানান তিনি।
এদিকে যানজটে আটকে থাকা সিরাজগঞ্জ থেকে আসা মাছ ব্যবসায়ী হামিদ মিয়া বলেন, “ভোর থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি। যমুনা সেতু পার হয়ে আটকে আছি। মাছ নিয়ে টাঙ্গাইলে বিক্রি করব, কিন্তু এখনো যেতে পারছি না।”
গাজীপুর থেকে আসা বাসচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, “টাঙ্গাইল থেকেই যানজট। মহাসড়কের এলেঙ্গায় এসে আটকে আছি। গরমে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।”
এর আগের দিন শুক্রবার সকাল থেকেই যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড়ে সিরাজগঞ্জ অংশে যানজট ও দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের মধ্যে যমুনা সেতুতে ২৩ ঘণ্টায় ছোট-বড় ২৪টি দুর্ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে ছয়টি দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে রেকার ব্যবহার করতে হয়। কখনো সেতুর দুই লেন, আবার কখনো এক লেন বন্ধ রাখতে হওয়ায় এর প্রভাব পড়ে সেতুর দুই পাড়েই।
পূর্বের পোস্ট :