নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাসায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজনের কাউকেই শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না।
স্বামী ও তিন সন্তানের মৃত্যুর পর সবশেষ শুক্রবার সকালে মারা গেছেন গৃহবধূ সায়মা (৩২)।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, শুক্রবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল সায়মার।
এর আগে গত দুই দিনে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সায়মার তিন সন্তান।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ১০ বছর বয়সী মুন্নি মারা যায়। তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর প্রায় তিন ঘণ্টা আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে মারা যায় সাত বছর বয়সী মুন্না। তার শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
বুধবার সন্ধ্যায় মারা যায় তাদের আরেক সন্তান কথা। তার শরীরের ৫২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর আগেই সোমবার সকালে মারা যান পরিবারের কর্তা মো. কালাম (৩৫)। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে রোববার সকালে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন সন্তানসহ দম্পতি দগ্ধ হন।
পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তখনই চিকিৎসকরা তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছিলেন।
নিহত কালাম পেশায় সবজি বিক্রেতা ছিলেন। স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে তিনি গিরিধারার ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, তিতাসের গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ঘরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
পূর্বের পোস্ট :